About · 1944 — 2019

A life in art & memory.

“Dreams whisper truths of the heart, while art and memory illuminate the path through life's uncertainties.”

Sudhanshu Sekhar Kar

Sudhanshu Sekhar Kar

Sudhanshu Sekhar Kar

Artist, teacher,
quiet historian.

Born in 1944, Sudhanshu Sekhar Kar spent more than five decades shaping clay, stone and pigment into the figures of India's past. His hands moved between the chisel and the brush with the same patience — sculpting deities, painting Pattachitra panels, and copying from temple walls so that what was vanishing could be seen again.

He taught generations of students to look slowly, to draw what they truly saw, and to honour the discipline that traditional Indian art demands. To his family he was a steady, soft-spoken man whose study was always full of half-finished sketches, reference books and the smell of oil paint.

He passed away in 2019, leaving behind hundreds of works and countless memories. This site is maintained by his family as a living archive — a place to keep both the art and the man.

Family & more

A memoir, in his daughter's words.

Family memoir

ওই স্বপ্ন সম্ভবত কিছু বলতে এসেছিল। মেনের সম্পর্কে কিছু বলতে। মেন পড়ে যায়, আমি চুপি চুপি বাবার কাছে গিয়ে কাজ করতাম। মার কাছে গিয়ে আমাকে একটু চিনতাম (বা) মেনের কথা। যখন বোঝা পেতাম সুখ নেই, তখন যাকে পাশে সবচেয়ে পেতাম সে ছিল চুপচাপ। ২৪ ঘণ্টা পাশে। — অথচ যখন সমস্যার মেঘা ক্লান্ত হয়ে আসে, তখন টিভি দেখ বেস থেকে। ওর কাছে ছুটে গিয়ে বলতাম, B.A পাশ করব করব। উপরে উঠবে। বিয়ের সুবাদে একদিন ওই ঘর ছেড়ে অন্য ঘরে নেমে আসি, ছোটো দিনের মতো উপরে ওঠার স্বপ্নটা নিয়ে আবার ছুটেছি, পড়তাম, তারপর সব ছেড়ে, ছবি আঁকতাম, নোটবুক, প্রিয়জনের ছবি আঁকা, আশা, তোমাকেই চিঠিতে লিখেছি বারবার, পেলে লুকিয়ে না রাখলে আমি শিকড় পেয়ে পাশে দাঁড়িয়ে যেতাম, জ্ঞান বেঁচে থাকতে না মেলে ছোটো সংসার। পৃথিবীটা সুখী ছিল। ছিল না। কমলিনীর মতোই প্রেতাক কারেকর।

ছোটো ছেলে‑মেয়েদের ভিতরেও শিক্ষাবোধ শৈথিল্য নেই। সমস্ত বয়সের কাজেই প্রয়োগ করা উচিত। অবসর বিনোদন শুধু মিন ও রবিবার সকাল বিকেল ঘরে বসে ছোটো ছেলে‑মেয়েদের অধিকার কেছু নিয়ে, অন্য সময় ছবি আঁকতেন, ক্ষেচবুকের কোন অংশবিশেষ রেখেছেন তিনি, সমস্ত সুখী অবস্থা লিখেছেন একজন হয়তো আর একজনের বিচিত্রতায় শুধু জীবনদীপ নির্বাপিত হয়।

ওই স্বপ্ন সম্ভবত কিছু বলতে এসেছিল। মেনের সম্পর্কে কিছু বলতে। মেন পড়ে যায়, আমি চুপি চুপি বাবার কাছে গিয়ে কাজ করতাম। মার কাছে গিয়ে আমাকে একটু চিনতাম। ছুটির সময় যখন বোঝা পেতাম সুখ নেই, তখন যাকে পাশে সবচেয়ে পেতাম সে ছিল চুপচাপ। ২৪ ঘণ্টা পাশে। অথচ যখন সমস্যার মেঘা ক্লান্ত হয়ে আসে, তখন টিভি দেখ বেস থেকে। ওর কাছে ছুটে গিয়ে বলতাম, B.A পাশ করব করব। উপরে উঠবে। বিয়ের সুবাদে একদিন ওই ঘর ছেড়ে অন্য ঘরে নেমে আসি, ছোটো দিনের মতো উপরে ওঠার স্বপ্নটা নিয়ে আবার ছুটেছি, পড়তাম, তারপর সব ছেড়ে, ছবি আঁকতাম, নোটবুক, প্রিয়জনের ছবি আঁকা, আশা, তোমাকেই চিঠিতে লিখেছি বারবার, পেলে লুকিয়ে না রাখলে আমি শিকড় পেয়ে পাশে দাঁড়িয়ে যেতাম, জ্ঞান বেঁচে থাকতে না মেলে ছোটো সংসার। পৃথিবীটা সুখী ছিল। ছিল না। কমলিনীর মতোই প্রেতাক কারেকর।